শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ১২:৪৫ পিএম, ২০২৪-১১-০৫
নানা অনিয়ম কুকর্ম সহ প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ উঠেছে বরিশাল সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের সাবেক অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে। স্বৈরাচার শেখ হাসিনা সরকারের সময় সাবেক আমলা ফয়েজ আহম্মেদের আত্মীয় পরিচয় দিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রভাব বিস্তার করে খেয়াল খুশিমতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে মাফিয়া অধ্যক্ষ বনে গিয়েছিলেন। তার কথা কেউ না শুনলেই শুনতে হতো গালিগালাজ। হতে হতো বদলির শিকার। এমনকি তার কথার অবাধ্য হলেই শোকজের শিকার হতেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মচারীরা। ওই অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে রয়েছে চাকুরীকালিন সময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের যৌন হারানের অভিযোগ। সাবেক অধ্যক্ষ জাকির হোসেন চাকুরী কালীন সময় এস্টেট প্রকল্পের ছয়টি কোর্সের লাখ লাখ টাকা ভুয়া ভাউচার করে কোর্স করানো ঠিকাদারকে শতকরা ৪০ ভাগ টাকা প্রদান করে বাকী টাকা মালামাল ক্রয়ের নামে আত্মসাত করেন। এমনকি চাকুরীকালীন আলীগের প্রভাব বিস্তার করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধানের কাছ থেকে চাহিদা পত্র গ্রহন করে। এরপর ঐ চাহিদা পত্র থেকে মালামালের সংখ্যা কমিয়ে মালামালের দর তিনগুণ করে আরএফকিউ তৈরি করতেন। আর নিজে ঠিকাদার হয়ে ভুয়া প্যাড তৈরি করে ব্যাগ, এপ্রোন সাপ্লাই করতেন। সব মালামাল সঠিক ভাবে না পেয়ে ঐ অধ্যক্ষ মাফিয়া জাকির হোসেন শিক্ষার্থীদের কাছে শিকার হন অনেকবার। প্রতিষ্ঠানের একাধিক শিক্ষক ও কর্মচারীরে জানান তার কথা কেউ না শুনলে এবং কথা মতো না চললে গালিগালজ করতেন। সে চাকুরীকালিন সময় অটোমোবাইল বিভাগের প্রধান হয়েও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব ফয়েজ আহম্মেদের ক্ষমতা ব্যবহার করে ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল হয়ে নানা অপকর্মে লিপ্ত হন। এমনকি জনপ্রশাসন সাবেক সচিব ফয়েজ কে দিয়ে একই প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ তরিকুল ইসলাম, নূরউদ্দিন সহ অনেক শিক্ষককে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে অনত্র বদলির অভিযোগ আছে। মাফিয়া নামক সাবেক অধ্যক্ষ জাকির হোসেন চাকুরীকালিন সময় একই প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী পপি নামক এক কর্মচারীকে নানা ভাবে হয়রানি ও যৌন হয়রানি করেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। চাকরি কালীন সময়ে ওই অধ্যক্ষ এতোই ক্ষমতাধর ছিলেন তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়েও কোন লাভ হয়নি বলে জানিয়েছেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা কর্মচারীরা। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী পপিকে যখন সাবেক অধ্যক্ষ জাকির হোসেন যৌন হয়রানি করতে থাকেন তখন পপি একই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এনায়েত করিম ও আয়েশা আখতার কাছে অভিযোগ দিয়েও কোন লাভ হয়নি। খোজ নিয়ে জানাযায় সাবেক দক্ষ জাকির হোসেনের আপন ভাইয়ের স্ত্রী ভাই হলেন স্বৈরাচার শেখ হাসিনার সহযোগী সাবেক সচিব ফয়েজ আহম্মেদ। আর এই ফয়েজ আহম্মেদের প্রভাব বিস্তার করে জাকির হোসেন কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করতেন। বরিশাল থেকেও তিনি ঢাকা কারিগরি শিক্ষা বোর্ড নিয়ন্ত্রণ করতেন। সে ক্ষমতা ব্যবহার করে বদলি বানিজ্য করার অভিযোগ রয়েছে। এ বেপারে সাবেক অধ্যক্ষ জাকির হোসেন জানান তার বড় ভাইয়ের আত্মীয় ছিলো সাবেক সচিব ফয়েজ আহম্মেদ। তবে অনিয়ম ক্ষমতার প্রভাব যৌন হয়রানি র বিষয় তিনি অস্বীকার করেন।বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড বরিশাল আঞ্চলিক কার্যালয়ের পরিদর্শক প্রকৌশলী আরিফুর রহমান জানান সাবেক অধ্যক্ষ জাকির হোসেনের বিষয় শুনেছি। তবে কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি।বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড বরিশাল আঞ্চলিক কার্যালয়ের পরিদর্শক প্রকৌশলী আরিফুর রহমান জানান সাবেক অধ্যক্ষ জাকির হোসেনের বিষয় শুনেছি। তবে কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি।বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড বরিশাল আঞ্চলিক কার্যালয়ের পরিদর্শক প্রকৌশলী আরিফুর রহমান জানান সাবেক অধ্যক্ষ জাকির হোসেনের বিষয় শুনেছি। তবে কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি।বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর বরিশাল আঞ্চলিক কার্যালয়ের পরিদর্শক প্রকৌশলী আরিফুর রহমান জানান সাবেক অধ্যক্ষ জাকির হোসেনের বিষয় শুনেছি। তবে কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি।
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : মাহমুদুর রহমান মাসুদ, ভালুকা প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের ভালুকায় 'ময়মনসিংহ জেলার গ্রামীণ অবকাঠামো...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : মাহমুদুর রহমান মাসুদ, ভালুকা প্রতিনিধি: ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতন দিবসের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উদযাপন ...বিস্তারিত
রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি : : রাঙামাটির কেন্দ্রীয় কবরস্থানে জায়গা সংকটের অভিযোগ, সম্প্রসারণ ও রিটেইনিং ওয়াল নির্মাণের প্রস্ত...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : সিরাজগঞ্জ ব্যুরো : সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসন ও ইসলামিক ফাউণ্ডেশন সিরাজগঞ্জের উদ্যোগে জুলাই গণঅ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : রাজশাহী প্রতিনিধি : রাজশাহীতে গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সম্পৃক্ততা বৃদ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি : কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার নুনখাওয়া ইউনিয়নের চরকাটগিরাই এলাকায় অবস্থ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited